ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন: ১৯ কেন্দ্রে গণসংহতির জোনায়েদ সাকি ১৬,৪০৭ এবং জামায়াতের মহসীন ৫,৯৫৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ আসনে (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এগিয়ে আছেন। রাত ১০টা পর্যন্ত ৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টির ফল পাওয়া গেছে। সেখানে তিনি মাথাল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪০৭টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫৮ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন ১৯ কেন্দ্রে গণসংহতির জোনায়েদ সাকি ১৬,৪০৭ এবং জামায়াতের মহসীন ৫,৯৫৮
ছবি: MBF News
এই আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪। রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, এই আসনে ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ২৪ শতাংশ। তিনি রাত ১০টার দিকে ১৯টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করেছেন।


পিরোজপুর -৩ আসন: ৫৭ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে ধানের শীষের রুহুল আমীন দুলাল
পিরোজপুর -৩ ( মঠবাড়িয়া উপজেলা) আসনে ৫৭টি কেন্দ্রে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. রুহুল আমীন দুলাল পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৬৪ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রুস্তম আলী ফরাজী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৭৩৪ ভোট।এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৫টি।



পিরোজপুর–২ আসন: ২৩ কেন্দ্রে জামায়াতের শামীম সাঈদী পেয়েছেন ১২,২৯৮ ভোট; ১২,০৫১
পিরোজপুর-২ (ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী ২৩টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ১২ হাজার ২৯৮ ভোট।
বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫১ ভোট। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১৬৬ টি।
ঘোষিত ২৩ কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১৮ হাজার ৪ টি, ‘না’ পড়েছে ৯ হাজার ৮৫৫ টি।




নোয়াখালী–১ আসন: ৪০টি কেন্দ্রে বিএনপির মাহবুব ৩৪,৪২৬ ও জামায়াতের ছাইফের ভোট ২৪,৯৩৭
নোয়াখালী-১ আসনে ১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪০ টির ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৪২৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ছাইফ উল্যাহ পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৩৭ ভোট।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ৪০ কেন্দ্রের এ ফল ঘোষণা দিয়েছেন।





কুড়িগ্রাম–২ আসন: ১৩৪ কেন্দ্রে এনসিপির আতিকুর পেয়েছেন ১,২২,৪৯৮ ভোট, বিএনপির কায়কোবাদ ১,১৬,২৭২
কুড়িগ্রাম-২ (সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী) আসনে ১৩৪টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে এগিয়ে আছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আতিকুর রহমান মোজাহিদ। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৮ ভোট।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৭২ ভোট পেয়েছেন।
আসনটিতে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২০৫টি। মোট ভোটার রয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার ৭৩৬ জন।




রংপুর-১ আসন: ২৫টি কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে জামায়াত
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটি করপোরেশন ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড) আসনে ১৬৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৫টির ভোটে এগিয়ে আছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৫ হাজার ৪০১ ভোট পেয়েছেন। আর বিএনপির মোকাররম হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৮৫।




রংপুর-৩ আসন: ৫ কেন্দ্রের ভোটে তৃতীয় স্থানে জি এম কাদের, এগিয়ে জামায়াত
রংপুর-৩ (সিটি কর্পোরেশনে ও সদর) আসনে ৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে ২ হাজার ৭০৬ ভোটে পিছিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪ ভোট। এসব কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুর রহমান ৩ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ২ হাজার ২০৪ ভোট।
রংপুর-৩ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ২ হাজার ৯৯২। মোট কেন্দ্র ১৬৯। ফল পাওয়াকেন্দ্রগুলো হলো ধাপ সাত গড়া মাদ্রাসা, দি মিলেনিয়াম স্কুল, মেডিকেল কলেজ হাইস্কুল, মরিয়ম নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও শাহাবাজপুর সরকারি বিদ্যালয়।




রংপুর–৪ আসন: ৫৭ কেন্দ্রে এনসিপির আখতার হোসেন পেয়েছেন ৭২৮৯৭ ভোট, বিএনপির এমদাদুল ভরসা পেয়েছেন ৫৭৪৩৯
রংপুর–৪ (পীরগাছা–কাউনিয়া) আসনের ১৬৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টির ভোটে এগিয়ে আছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তিনি শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৮৯৭ ভোট। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৩৯ এবং জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৯৫ ভোট।




বগুড়া-৬ আসন: ২৭ কেন্দ্রের ভোটে দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে তারেক রহমান
বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৬ আসনের ২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৪২৮ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪২৮ ভোট।
আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫০টি। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ।




ঢাকা-৯ আসন: কেন্দ্র নং - ৪২ (নাজমুল হক মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা)
বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬৮ ভোট। আর এনসিপির জাবেদ রাসিন শাপলা কলি প্রতীকে ৩৬১ পেয়েছেন।
এই কেন্দ্রে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ে ১০৬১; আর ‘না’ ভোট পড়ে ২৫৬।





লক্ষ্মীপুর-১ আসন: ৫৫ কেন্দ্রে বিএনপির শাহাদাতের ভোট ৪৮ ৭১১ ও এনসিপির মাহবুবের ৩৪৫৯৬
লক্ষ্মীপুর-১ আসনের ৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৫টির ফলাফল ঘোষণা করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম। এই ৫৫টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম ৪৮ হাজার ৭১১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মাহবুব আলম পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৫৯৬ ভোট।




লক্ষ্মীপুর-৩ আসন: ৪৮ কেন্দ্রে বিএনপির এ্যানির ৪৯,৪৬০ ভোট ও জামায়াতের রেজাউলের ৪১,৭০৭ভোট
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ৪৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা। এই ৪৮টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ৪৯ হাজার ৪৬০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর রেজাউল করিম পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭০৭ ভোট।
এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৩০ টি।



চট্টগ্রাম-১১ আসন: ৩১ কেন্দ্রের ভোটে আমীর খসরুর ২১,৮৮১ ও জামায়াতের শফিউলের ১৫,০৩৩
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩১ টির ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।
এতে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৮১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম পেয়েছেন ১৫ হাজর ৩৩ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৩ জন, নারী ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৪২ জন এবং হিজড়া ৩ জন।




ফেনী-৩ আসন: ৭৪টি কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে বিএনপির আব্দুল আউয়াল মিন্টু
ফেনী-৩ আসনের ৭৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এতে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। ৭৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২৩০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৮১২ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৮ হাজার ১৯২ জন। মোট প্রার্থী ৯ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৬১টি।




ফেনী–২ আসন: ২৪টি কেন্দ্রে বিএনপির জয়নালের ভোট ১৯৫৪২ ও এবি পার্টির মঞ্জু ১১৬৮৩
ফেনী-২ আসনের ২৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এই ২৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদীন ওরফে ভিপি জয়নাল ১৯ হাজার ৫৪২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৮৩ ভোট।
ফেনী-০২ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ জন। মোট প্রার্থী ১১ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৪৬টি।




পাবনা–৫ (সদর) আসন: ৮২ কেন্দ্রের ভোটে বিএনপির শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ৯২৩৭০ ভোট, জামায়াতের ইকবাল হোসাইন ৮৬৪৯০
পাবনা–৫ (সদর) আসনে ৮২ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৭০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. ইকবাল হোসাইন দঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৪৯০ ভোট।
এই আসনে মোট কেন্দ্র ১৬৩।



ময়মনসিংহ-১ আসন: ৫৩টি কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সালমান ওমর
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ সালমান ওমর। ঘোড়া প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪০ হাজার ৯৪০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩১ হাজার ২৪২ ভোট।




খুলনা-৫ আসন: ৩১ কেন্দ্রে বিএনপির আলি আসগার ২৯৩৭১, জামায়াতের মিয়া পরওয়ার ২৪৭৩৯
ফুলতলা, ডুমুরিয়া উপজেলা এবং গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত খুলনা–৫ আসন। এই আসনের ৩১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার (লবি)। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ২৯ হাজার ৩৭১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার দাঁড়িপাল্লাপ্রতীকে ২৪ হাজার ৭৩৯ ভোট পেয়েছেন।
আসনটিতে মোট কেন্দ্র রয়েছে ১৫০টি। ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২ হাজার ৭৯৮।



কক্সবাজার-১ আসন: ২০ কেন্দ্রের ভোটে বিএনপির সালাহউদ্দিনের ভোট ২৮০৬৯, জামায়াতের ফারুক ১২৫৪১
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের ২০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন চকরিয়া ও পেকুয়ার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এই ২০টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২৮ হাজার ৬৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৪১ ভোট।
কক্সবাজার-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯ জন। মোট প্রার্থী ৩ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৭৭টি।



জামালপুরের ৫টি আসনে আংশিক ফলে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থীরা
জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের সবকটিতে আংশিক ফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের ১২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টি কেন্দ্রের ফলে ধানের শীষের প্রার্থী এম রশিদুজ্জামান (মিল্লাত) ৬৪ হাজার ৬২৫ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো.নাজমুল হক (সাঈদী) ৪২ হাজার ৬৪৪ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ধানের শীষ ২১ হাজার ৯৮১ ভোটে এগিয়ে আছে।




ঠাকুরগাঁও -১ আসন: ৩৫ কেন্দ্রে মির্জা ফখরুল ৩৯১০১, দেলাওয়ার হোসেন ২৫৯৭৬
ঠাকুরগাঁও -১ (সদর) আসনের ৩৫টি কেন্দ্রে ৩৯ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ধানের শীষ)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৫ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদিমুল ইসলাম পেয়েছেন ৭০৫ ভোট। আসনটির মোট কেন্দ্র ১৮৫টি।




ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসন: ১২ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা এগিয়ে আছেন। রাত ৮ টা ২৪ মিনিট পর্যন্ত ১২ টি কেন্দ্রে রুমিন ফারহানা ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৪৮। তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৪৫ ভোট।
এই আসনের মোট ভোটকেন্দ্র ১৫১।




কুমিল্লা–৪ আসন: ১৫ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ ১৫টি কেন্দ্রের ফলে এগিয়ে আছেন। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ১৭ হাজার ৯৮৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের জসিম উদ্দিন ট্রাক প্রতীকে ৭ হাজার ৭৮ ভোট পেয়েছেন।
এই আসনে মোট কেন্দ্র ১১৬।



নির্বাচন থেকে আরো পড়ুন।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url