বিএনপি ও তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সুস্পষ্ট বিজয়ের জন্য দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।আজ শুক্রবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে নরেন্দ্র মোদি তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিনন্দন জানান। মোদি তাঁর পোস্টে তারেক রহমান ও বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজকে ট্যাগ করে দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ শুক্রবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিট নাগাদ পাওয়া তথ্যেবেসরকারি ফলাফলে বিএনপি ও তার মিত্ররা ১৮২টি আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছে। জামায়াত ও তার মিত্ররা জয়ী ৬৯টি আসনে।
![]() |
| ছবি: MBF News |
ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন মোদি।।’
বিএনপি ও তারেক রহমানকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। বিবিসির অনলাইন লাইভে প্রকাশিত খবর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আসিফ আলী জারদারি বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে এবং বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় জোরদার করতে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা রাখে।
বগুড়া-৬ আসন: ২৭ কেন্দ্রের ভোটে দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে তারেক রহমান
বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বগুড়া-৬ আসনের ২১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৪২৮ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪২৮ ভোট।
আসনটিতে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫০টি। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ১৫ শতাংশ।
চট্টগ্রাম-১১ আসন: ৩১ কেন্দ্রের ভোটে আমীর খসরুর ২১,৮৮১ ও জামায়াতের শফিউলের ১৫,০৩৩
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩১ টির ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।
এতে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৮১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম পেয়েছেন ১৫ হাজর ৩৩ ভোট।এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৩ জন, নারী ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৪২ জন এবং হিজড়া ৩ জন।
ফেনী-৩ আসন: ৭৪টি কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে বিএনপির আব্দুল আউয়াল মিন্টু
ফেনী-৩ আসনের ৭৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এতে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। ৭৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২৩০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৮১২ ভোট।এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৮ হাজার ১৯২ জন। মোট প্রার্থী ৯ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৬১টি।
রংপুর-১ আসন: ২৫টি কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে জামায়াত
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটি করপোরেশন ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ড) আসনে ১৬৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৫টির ভোটে এগিয়ে আছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২৫ হাজার ৪০১ ভোট পেয়েছেন। আর বিএনপির মোকাররম হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৮।
রংপুর-৩ আসন: ৫ কেন্দ্রের ভোটে তৃতীয় স্থানে জি এম কাদের, এগিয়ে জামায়াত
রংপুর-৩ (সিটি কর্পোরেশনে ও সদর) আসনে ৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে ২ হাজার ৭০৬ ভোটে পিছিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৫৪ ভোট। এসব কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুর রহমান ৩ হাজার ৭৬০ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ২ হাজার ২০৪ ভোট।
রংপুর-৩ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ২ হাজার ৯৯২। মোট কেন্দ্র ১৬৯। ফল পাওয়া কেন্দ্রগুলো হলো ধাপ সাত গড়া মাদ্রাসা, দি মিলেনিয়াম স্কুল, মেডিকেল কলেজ হাইস্কুল, মরিয়ম নেসা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও শাহাবাজপুর সরকারি বিদ্যালয়।
রংপুর–৪ আসন: ৫৭ কেন্দ্রে এনসিপির আখতার হোসেন পেয়েছেন ৭২৮৯৭ ভোট, বিএনপির এমদাদুল ভরসা পেয়েছেন ৫৭৪৩৯
রংপুর–৪ (পীরগাছা–কাউনিয়া) আসনের ১৬৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টির ভোটে এগিয়ে আছেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। তিনি শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৮৯৭ ভোট। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৩৯ এবং জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৯৫ ভোট।
ঢাকা-৯ আসন: কেন্দ্র নং - ৪২ (নাজমুল হক মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা)
বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬৮ ভোট। আর এনসিপির জাবেদ রাসিন শাপলা কলি প্রতীকে ৩৬১ পেয়েছেন।
এই কেন্দ্রে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ে ১০৬১; আর ‘না’ ভোট পড়ে ২৫৬।
কেন্দ্র নং: –৮৮ (মাদারটেক আব্দুল আজিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ)
হাবিবুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছন ৫৫৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০৯ ভোট এবং এনসিপির জাবেদ রাসিন শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১৫৭ ভোট।
এই কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৫৪৭ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ২৬৭।
খুলনা–১ আসন: ৪ কেন্দ্রে বিএনপির এজাজ খান পেয়েছেন ৫০৪৫ ভোট, জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী ১৪৮০
খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের চারটি কেন্দ্রের ভোটে বিএনপির প্রার্থী আমীর এজাজ খান ধানের শীষ প্রতীকে ৫ হাজার ৪৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ১ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়েছেন।
ঘোষিত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কৈলাশগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমীর এজাজ খান ধানের শীষে ৭৭৯ ভোট পেয়েছেন। কৃষ্ণ নন্দী দাঁড়িপাল্লায় পেয়েছেন ১৯৫ ভোট। বাজুয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে ধানের শীষ ১ হাজার ১৯৮ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১৯০ ভোট পড়েছে।
নির্বাচন থেকে আরো পড়ুন।
