শঠিবাড়ী জনতা ব্যাংকের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় একজন নিহত
শঠিবাড়ী রাস্তা পার হওয়ার সময় এক বৃদ্ধার মহিলাকে পিস্ট করে দিয়ে গেছে পাথরের ট্রাক। উত্তেজিত জনগণ রাস্তা অবরোধ করে দিয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধা বয়স ছিল ৮০ বছর। নিহত স্বজনদের আহাজারি যেন শেষ ই হচ্ছে না।
![]() |
| ছবি: MBF News |
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, আরও কত জীবন গেলে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে, শঠিবাড়ি মানুষ জানতে চায়? মহাসড়ক বন্ধ করে দেয়া হোক ফ্লাই ওভার ব্রিজের কাজ না হওয়া পর্যন্ত মহাসড়ক বন্ধ।
জনগণের কত আহাজারি আর কত মানুষের জীবন যাবে এভাবে দেশের সরকার কি দেখেন না এগুলো তাদেরকে চোখে পড়বে না।
আজকে সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখো এটা তো পারবে এরকম করে রাস্তায় যদি জনগণ দাঁড়িয়ে থাকতো আর বলতো এখানে ওভার ব্রিজ চাই তাহলে সেটা কিছুদিনের মধ্যে হয়ে যেত, কিছু জনগণের দাবি।
শঠিবাড়ী বাজার অনেক জনবহুল রাস্তা সেখানে ফ্লাইওভার না দিয়ে বাজার পার হয়ে স্কুল এখানে ফ্লাইওভার দেওয়াটা কতটা যুক্তিযুক্ত।
আসলে আমাদের প্রত্যেক জন মানুষ মিলে এখানে মানববন্ধন করা প্রয়োজন একটি ফ্লাইওভার অতীব জরুরী, কত অসহায় সাধারণ মানুষের জীবন এভাবে আর না।
যখন রাস্তা তৈরি হয় হামিদ মিয়ার মোরে ওভার ব্রিজটা দিতে চেয়েছিলেন, তখন নাকি কিছু সংখ্য লোক বলেছিলেন ওখানে ওভার ব্রিজ দিলে শঠিবাড়ী হাট নাকি ডিভাইডেট হয়ে যাবে।
সেই জন্য ওভার ব্রিজটা সেখানে প্রয়োজন নাই, শঠিবাড়ী হাই-স্কুলের সামনে দিয়ে রাখছে। তারা আরো বলেন, এতটা তারা শিওর না এটা সত্যিই না মিথ্যা।
এটা কেমন মার্ডার, এই খুনের দ্বায়ভার যারা এমন উদ্ভট ডিজাইন করেছে। আমরা জানি না কোন ইঞ্জিনিয়ার এগুলো ডিজাইন করেছে বা কারা ইঞ্জিনিয়ারকে এমন করতে বলেছে।
যেখানে জনগনের পারাপারের জায়গা সেখানে কোনো আন্ডার পাস নাই। জনবহুল জায়গা থেকে ১ কিমি দুরে আন্ডার পাস। কি একটা জা তা অবস্থা। সড়ক জনপদের কাজ এমন হবে কখনো ভাবি নাই, এলাকার বাসিন্দারা।
এই রাস্তা হওয়ার সময় প্রকৌশলীরা শঠিবাড়ীর মাঝ বরাবর দিয়েই ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু স্থানীয় মানুষজন এবং ব্যবসায়ীরা তাতে বাধা দেন। ফলে বাধ্য হয়েই দূরে ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে হয় এবং তা দীর্ঘদিন পরে।
সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ব্যাপার এটা যে, শঠিবাড়িতে যে রাস্তা নিয়ে প্রকৌশলীদের হ্যাসেল পোহাতে হয়েছে তা আর অন্য কোথাও হয়নি।
ফ্লাইওভার এর মাষ্টার প্লানিং আগে থেকেই করা ছিলো তা না হলে যেখানে ফ্লাইওভার নির্মাণ করার কথা ওখানে কেনো করা হলো না। মানুষ যদি সুবিধাই না পায় কি লাভ ফ্লাইওভার করে। কিছুই হবে না মনে হচ্ছে কিছুদিন পরে আবার চুপ হয়ে যাবে। এটাই এ দেশের নীতি নির্ধারণ।
তাই তাঁরা এমনটা সহ্য করতে না পেরে বললো, যতক্ষণ না ফ্লাইঅভার বা ফুটঅভার ব্রিজ না দিচ্ছে ততক্ষণ রাস্তা বন্ধ রাখা দরকার,এত দূর্ঘটনা হচ্ছে ওখানে তবুও কোনো বাস্তবায়ন নাই।
এভাবে মৃত্যু কারও কাম্য নয়। দিন দিন এখানে এইভাবে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলছে। ফুটওভার ব্রিজ অথবা ওভার পাসের ব্যবস্থা করে,জনগণকে এই মৃত্যুর ফাঁদ থেকে বাঁচানোর জন্য, কতৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন জনগণের।
খুবই দুঃখজনক ভাবে অন্য জেলার মানুষ জানিয়েছেন কিছু দিন থেকে অনলাইন দেখতেছি উত্তর জনপদের মধ্যে রংপুর জেলা মিঠাপুকুর উপজেলা শঠিবাড়ী হাট কোন ফ্লাইওভার নির্মাণ না হওয়ার কারনে দুরঘঠনা সহ সোচ্চার।
রাস্তা হয়েছে ঠিকাদার চলে গিয়েছে -- রাস্তা হওয়ার সময় শঠিবাড়ী হাট সাধারণ মানুষ গুলো সোচ্চার হওয়া দরকার ছিল যে শঠিবাড়ী হাট মাঝখানে ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে হবে -- তখন মিঠাপুকুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সরকার মাননীয় এম পি মহোদয় ছিল।
সোচ্চার সহ অনেক কিছু করলেও শঠিবাড়ী হাট ফ্লাইওভার নির্মাণ হওয়া খুবই কষ্ট এবং, রংপুর জেলা মিঠাপুকুর উপজেলা বি এন পি সরকার সমথর্ন. এম পি মহোদয় থাকলে বাজেট পদক্ষেপ গ্রহণ করতো হইত। এমনটা জানিয়েছেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর দাবি, দেশের প্রায় সব বড় বাজারে ফ্লাই ওভার এর ব্যবস্থা থাকলেও সটিবাড়ি বাজারে সেটি ভিন্নভাবে, বাজারের কিছুটা পরে স্থাপন করা হয়েছে। ফলে এখানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এবং ইতিপূর্বেও একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে। দুপুর ২:৩০ মিনিট থেকে সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।
স্থানীয় থানার ওসির বক্তব্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও, এলাকাবাসী লাশ সরাতে দেননি। এলাকাবাসীর একটাই দাবি: এখানে একটি ফুড ওভার ব্রিজ নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাস্তা ছাড়বো না।
এখন রাস্তার অনাকাঙ্ক্ষিত বা কাঙ্ক্ষিত বলেন দুর্ঘটনা গুলো ঘটতেছে তা দেখে আমাদের বিবেক জাগ্রত হচ্ছে এবং রাস্তা তৈরি করা ম্যানেজমেন্টকে গালি দিচ্ছে।
আসলে উনাদের দোষ যদি ৫০% হয়, তখন যারা ওখানে ওভারব্রিজ দিতে বারণ করেছিলো তাদের দোষ ৫০%। এমন বহু জায়গায় বহু সেক্টরে বাংলাদেশে ঝামেলা রয়েছে।
প্রতিটি বাজারে ওভার ব্রিজ হয় বাজারের মাঝখানে শুধুমাত্র শঠিবাড়ীর ওভার ব্রিজ বাজার থেকে দূরে বাজারের বাহিরে বা দূরে হওয়ায় কারণ হচ্ছে শঠিবাড়ীর ব্যবসায়ীরা, তারাই বাজারের মধ্যে ওভারব্রিজটি হতে দেয়নি, যার কারনে এত দুর্ঘটনা হয়।
আর কত মৃত্যু দেখলে শঠিবাড়ীর মানুষ রুখে দাঁড়াবে? শত চেষ্টা করলেও শঠিবাড়ীর মানুষকে সচেতন আনতে পারছি না। শত ব্যস্ততার মাঝেও আমরা ঢাকা থেকে গিয়ে প্রোগ্রাম করি কেউ আসে না।
সবাইকে এভাবে বিপদের মুখে পড়তে হবে, সেদিন আপনি নিজেই রাস্তায় বসে কান্না করবেন। তাই বিপদ হওয়ার আগে সচেতন হওয়া জরুরী।
বর্তমানে স্থানীয় হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও জেলা প্রশাসকের (ডিসি) লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এলাকাবাসী।
অবশেষে অবরোধ ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জনগণের দাবি পূর্ণ না মানা হলে আগামী মঙ্গলবার পুনরায় আবারো রাস্তায় নামবে জানিয়েছেন।
এসময় তারা ওই স্থানে ফ্লাই ওভারের দাবি জানান। পরে প্রায় ৪ ঘন্টা পর অবরোধ তুলে নিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
জনগণ জানতে চায় গোবিন্দগঞ্জ পলাশবাড়ী ধাপের হাট। যদি সম্পূর্ণ বাজার ফ্লাইওভার হয়। তাহলে শঠিবাড়ী বাজারে কি সমস্যা ছিল। এটা কি অপরিকল্পিত কাজ ছিলো। না পরিকল্পিতভাবে মৃত্যু ফাঁদ। যেখানে যেটার প্রয়োজন সেইখানে সেটা না করলে।
এই মৃত্যুর জন্য শঠিবাড়ীর কিছু বিশিষ্ট মহল দায়ী কারণ ওদের ভুল সিদ্ধান্তই আজকে এতগুলো মৃত্যুর মিছিল। আমরা আর কত প্রাণ দিব।
জনগণ তো দুর্ভোগের সম্মুখীন হবেন। আমরা আর শঠিবাড়ীতে কোন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা দেখতে চাই না। এর জন্য একটা ভালো কিছু করা হোক। নিরাপদ সড়ক চাই সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে।
জনগণেরা জানান, শঠিবাড়িতে যেখানে বাজার, যে পথ দিয়ে মানুষ পুর্বপার ও পশ্চিমপারের প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে সেখানে পরিকল্পিত ওভার ব্রিজ হওয়ার কথা ছিলো।
কিন্তু কোন চোর গাজাখোর দুর্নীতি করে ওভার ব্রিজ অনুমোদন দিলো বাজার থেকে দক্ষিনে মোটামোটি ৫০০ মিটার দুরে যেখান দিয়ে দিন রাতে ১০০ জন লোক যাতায়াত করে না, বড় দুঃখ জনক।
প্রায় দিনে এখানে জানমালের ক্ষতি হচেছ, অতএব সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করতেছি পুনরায় বাজার সংলগ্ন ওভার ব্রিজের আহবান জানাচিছ।
বিআরডিআর কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করতেছি জনগণেরা অতি শীঘ্রই শঠিবাডীতে দুটো ফ্লাই ওভারব্রিজ দিয়ে শঠিবাড়ী দুর্ঘটনা এলাকা মুক্ত করার জন্য অনুরোধ করছে তারা।
বাংলাদেশ থেকে আরো পড়ুন।
