পীরগঞ্জের ভোটারদের জোর দাবি-পুনরায় ভোট গণনা চাই!
রংপুর-০৬ পীরগঞ্জ আসনে সাইফুল ইসলাম সাইফুল, ভোট গ্রহন ৫০০০+ ভোট বাতিলে ভোট গণনা সংক্রান্ত অসংগতি ও অনিয়মে উপজেলা প্রশাসনে মানুষের ঢল।এই গোল সিল যদি নির্বাচন কমিশন/প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক সরবরাহ করা হয়ে থাকে, তাহলে সেই ব্যালট পেপার কোনোভাবেই বাতিল হতে পারে না।
![]() |
| ছবি: MBF News |
এটি শুধু একটি ব্যালট নয়—এটি জনগণের অধিকার, এটি আমাদের ভোটের মর্যাদা। আমি পীরগঞ্জের একজন সচেতন ভোটার হিসেবে স্পষ্টভাবে জানাতে চাই।
সন্দেহজনকভাবে বাতিল হওয়া ব্যালটের পুনরায় গণনা করতে হবে। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। অন্যায়ভাবে ভোট বাতিল বা কারচুপির সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
পীরগঞ্জের মানুষের ভোট নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলবে না। আমরা ন্যায়ের পক্ষে, সত্যের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে।
এটা কী হিসাব দেখাচ্ছেন আপনারা? জনগণ কি অন্ধ নাকি? এক কেন্দ্রে ফলাফল এমন -সুলতান মাহমুদ পেয়েছে — ১৭১৬ ভোট
মোট প্রাপ্ত ভোট দেখানো হচ্ছে — ১৭১৬
আবার বাতিল ভোট — ১৭৬৬
আমার সর্বমোট ভোট — ১৭৬৬
এইটা কেমন গণিত? বাতিল ভোট মোট প্রাপ্ত ভোটের চেয়েও বেশি কিভাবে হয়? জনগণের ভোট নিয়ে এমন গড়মিল কেন?
এটা শুধু একটা সংখ্যা না, এটা জনগণের অধিকার, সম্মান আর বিশ্বাসের প্রশ্ন! আমরা স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাই। পূর্ণ ফলাফল ও বাতিল ভোটের বিস্তারিত প্রকাশ করতে হবে।
প্রয়োজনে পুনঃগণনা করতে হবে। জনগণের ভোট নিয়ে কোনো ধরনের কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না। হিসাব মিলাতে হবে—নইলে জবাব দিতে হবে!
জনগণ আরো জানিয়েছেন, ভোট গণনা করে এমপি ঘোষণা শুনেই বাড়ি ফিরবো ইনশাআল্লাহ। জামায়ের এই বেইমানি/ রংপুর -৬ এর মানুষ মেনে নিবে না।
রংপুর ২৪, পীরগঞ্জ ০৬, কেন্দ্র নং ৬০, কেন্দ্রের নাম: শানের হাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ধল্যাকান্দি (মহিলা ভোটকেন্দ্র। জনগণ আরও বলেন, ক্যালকুলেটার দিয়ে হিসাব করে সঠিক হিসাব দিতে হবে আমাদের। এভাবেই প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনায় ভুুল আছে। জনগণের আস্থা এমপি হবেন পীরগঞ্জের সাইফুল ইসলাম সাইফুল।ভোট চোরের আসতানা এই বাংলায় হবেনা ।
রংপুর জেলার সকল আসনে বিএনপি কে হারানোর নীলনকশার নেপথ্যে কারা জড়িত? জানতে চাই জনগণেরা। তারা বলেন তদন্ত করা হোক।
পীরগঞ্জ-৬ আসনে ভোট পুনর্গণনার আবেদন গ্রহণ করেছেন রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এ রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের ফলাফল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার আবেদন করেছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন দাখিল করেন। সংশ্লিষ্ট কার্যালয় আবেদনটি গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট গণনা ও প্রাপ্ত ফলাফলের তথ্যে অসামঞ্জস্য দেখা গেছে। এছাড়া বাতিল ভোটের সংখ্যা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, এজেন্টদের নিকট ফলাফল শিট সরবরাহ না করা এবং কেন্দ্রভিত্তিক হিসাবের সঙ্গে চূড়ান্ত ফলাফলের গরমিলের অভিযোগ তোলা হয়।
প্রার্থী পক্ষ দাবি করেছে, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ভোট পুনর্গণনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পুনর্গণনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত রাখারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট মহল এখন প্রশাসনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
২৪ রংপুর-৬ পীরগঞ্জ আসনে পুনরায় ভোট গননা হবে এবং প্রতিটি গোল সিল দেয়া ভোট কে বৈধ করতে হবে পাশাপাশি সৈরাচারের যে প্রেতাত্মা এই অপকর্মের সাথে জড়িত থেকে ভোটার দের হাতে ইচ্ছেকৃত ভাবে গোল সিল তুলে দিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করা হবে।
সাবধান, বিগত ১৭ বছর যে সাইফুল রা কোন অপশক্তির কাছে মাথা নত করেনি তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আপনারদের মত গুপ্ত আর মুনাফিকরা কখনই সফল হবে না।
শুধু আমার ইউনিয়নের ১ টি সেন্টারে শোলাগাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গোল সিল মারার সিল মারার কারনে ২৩৪ টি ভোট নষ্ট দেখাইছেন।
পুলিং অফিসার নিজেরাই ভোটারদের হাতে গোল সিল তুলে দিয়ে নিজেরাই আবার ভোট নষ্ট দেখাইছেন। খেলা যে কোন লেভেলে চলছে এখন বুঝবেন জামায়াত কে জনগণ।
পীরগঞ্জের ১১৩ টি কেন্দ্র সর্বমোট ৫০৭২ টি ধানের শীষের ভোট বাতিল দেখাইয়া সাইফুল ইসলাম কে ১৯৭১ ভোটে হারাই দিছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এর সংসদীয় আসন ২৪-রংপুর-০৬পীরগঞ্জ আসনে ভোট গ্রহন ও ফলাফল ঘোষণার পর প্রাপ্ত ফলাফলে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট গণনা সংক্রান্ত অসংগতি ও অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়েছে বলে আমাদের নিকট প্রতিয়মান হয়েছে।
সকল কেন্দ্রের ভোট গণনায় ও প্রদত্ত ফরম-১৬ এর তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য লক্ষ্য করা গেছে। বাতিল ভোটের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেশি পরিবর্তিত হয়েছে বলে প্রতিয়মান।
অনেক ভোট কেন্দ্রেই পোলিং এজেন্টদের নিকট ফলাফল না লিখেই জোর পূর্বক অপূরণকৃত ফরম-১৬তে স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। এজেন্টদের উপস্থিতি সত্ত্বেও ও কিছু কেন্দ্রে সঠিকভাবে ফলাফল উপস্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
কেন্দ্র ভিত্তিক ভোটের হিসাব ও ফলাফলের মধ্যে এবং গণভোটের হিসাব ফরম-০৩ এর মধ্যে গরমিল পরিলক্ষিত হয়েছে। সহকারী অফিসার কর্তৃক ভোটারগণকে ভোট প্রদানের জন্য গোল অফিসিয়াল সীল সরবরাহ করা হয়েছে যা ভোট গণনার সময় উক্ত ব্যালট পেপার বাতিল বলে গণ্য করা হয়।
রাজনীতি থেকে আরো পড়ুন।
